Skip to main content

Posts

বিদেশে উচ্চ শিক্ষাঃ জানুন বিস্তারিত (A to Z Guideline)

বিদেশে উচ্চশিক্ষা প্রত্যেক শিক্ষার্থীদের জন্য স্বপ্নের মতো দিন যত যাচ্ছে ততোই আমাদের মধ্যে বাড়ছে বিদেশে উচ্চ শিক্ষার প্রবণতা। তবে এতো শিক্ষার্থী কেনই বা যাচ্ছে বিদেশে উচ্চ শিক্ষার্থে তা অনেকটা অজানাই রয়ে যায়! অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে শিক্ষা দেশে থেকেই ভালোভাবে সম্পন্ন করা যায় তা করতে চাচ্ছে বিদেশের মাটিতে! সঠিক তথ্য অনুযায়ী অনেক শিক্ষার্থী তার বহুদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হলেও অনেকে সঠিক তথ্য ও জানাশোনার অভাবে মাঝপথে এসে সব হারিয়ে তাদের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়। তাই বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। তাই উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চাইলে প্রথমেই ভাবতে হবে আপনি কেনো বিদেশে পড়তে যেতে চান, তারপর ভাবতে হবে আপনি যে কোর্সটি করার জন্য বিদেশে যেতে চাইছেন সেই কোর্সটি দেশে কোথাও করা যায় কিনা, করা গেলেও দেশে ও বিদেশে আপনি কি কি সুবিধা ও অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন তা পাশাপাশি দাড় করিয়ে বিবেচনা করুন। সবদিক বিবেচনা করে যেই সিদ্ধান্ত আপনার জীবনে কোনো অনিশ্চয়তা বয়ে না আনবে সেই পথটি বেছে নেওয়াই ভালো। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো...

বিশ্বকাপ ফুটবল আমাদের আবেগ ও বাস্তবতাঃ

ফুটবল বিশ্বকাপকে বলা হয় "দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন দ্যা আর্থ" চার বছর অন্তর অন্তর আমাদের মাঝে ফুটবল বিশ্বকাপ আসে বিনোদনের এক মহা উপলক্ষ নিয়ে ফুটবল যেহেতু বিশ্বের সবচাইতে জনপ্রিয় খেলা তা নিয়ে মাতামাতি হবে এটাই  স্বাভাবিক! কথায় আছে বাঙ্গালী অতি আবেগী জাতি ফুটবল বিশ্বকাপ আসলেই আমরা যেন দলে দলে ভাগ হয়ে পড়ি। খেলাধুলা নিচকই বিনোদনের মাধ্যম সেটাকে বিনোদনের পর্যায়ে রাখাই ভালো তবে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় সেই ভিনদেশীদের খেলা আর আমাদের মধ্যে বিনোদনের পর্যায়ে থাকেনি তা রূপ নিয়েছে সংঘাতে! ফল শ্রুতিতে বন্ধুত্বে দেখা দিচ্ছে ফাটল বাড়ছে রেষারেষি আত্মীয়তায় পড়ছে ভাটা! আমাদের দেশে ব্রাজিল- আর্জেন্টিনাকে সমর্থন দেওয়ার একটা রেওয়াজ আছে যা চলে আসছে পূর্ব পুরুষদের কাল থেকে আর এসব নিয়ে মাতামাতি ও নতুন নয় তবে পূর্বে সেটা ছিলো সমর্থন কেন্দ্রীক আর এখন তা রূপ নিয়েছে বিবাদের। দূর্ভাগ্য জনক ভাবে আর্জেন্টিনা এবারের বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডেই বিদায় নেয় এতে করে আর্জেন্টিনার বাঙ্গালী সমর্থকদের লজ্জার মুখে পড়তে হয় তারা যতই যুক্তি দেখাক না কেন তাদের মধ্যে একধরনের লজ্জা কাজ করছিল এবং সেই সাথে জ্বলছিল প্রত...

আসুন পথ শিশুদের পাশে দাড়াই

চলছে শীতকাল। সারা দেশে বেড়েই চলছে শীতের দৌড়াত্ব গত বছর গুলোর তুলনায় এবারের শীতের প্রকটও বেশী। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী দেশে শৈত্য প্রবাহ চলবে আরো কয়েক সপ্তাহ। শীত সবার জন্য প্রিয় এক ঋতু গরমের উষ্ণতা থেকে বাচতে সবাই যেন চাতক পাখির মতো শীতের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। শীত প্রকৃতিতে আনে বৈচিত্র দেয় নতুন এক আমেজ। তবে প্রবাদে আছে কারো পৌষ মাস কারো আবার সর্বনাশ তেমনি শীত কারো জন্য আসে পৌষের আশীর্বাদ হয়ে আসে আবার কারো জন্য তা আসে সর্বনাশ হয়ে! আমরা যারা সমাজে বিত্তবান আছি তাদের জন্য শীত এক উপভোগ্য ঋত্য কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন কি আপনার আশেপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শীতার্ত গরীব, অনাথ পথশিশুরা এই শীতে কি মানবেতর জীবনযাপন করে?                                একবারও কি তাদের আর্তনাদ আমাদের কানে এসে পৌছায় না? আমাদের মনে রাখা উচিৎ এই শীতার্ত গরীব অনাথ পথশিশুরাই আমাদের প্রতিবেশী, ভাই কিংবা ছেলের মতো তাই তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আমাদের বিবেকবোধ থেকেই তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধ জেগে উঠা উচিৎ।...

যেভাবে সহজেই জানবেন পিইসি, জেএসসি, জেডিসি পরিক্ষার ফলাফল

২০১৭  সালের   অষ্টম   শ্রেণির   শিক্ষার্থীদের   জুনিয়র   স্কুল   সার্টিফিকেট  ( জেএসসি )  ও   জুনিয়র   দাখিল   সার্টিফিকেট  ( জেডিসি )  পরীক্ষার   ফল   ৩০   ডিসেম্বর   বেলা   ১২ : ৩০   টায়   প্রকাশ   করা  হ বে। ৩০   ডিসেম্বর   সকালে   ১০টায়   প্রধানমন্ত্রীর   কাছে   ফলাফল   হস্তান্তর   করার   পর   দুপুরে   সচিবালয়ে   শিক্ষা   মন্ত্রণালয়ে   সংবাদ   সম্মেলনের   মাধ্যমে   আনুষ্ঠানিকভাবে   ফল   প্রকাশ   করা   হবে।   চলুন   জেনে   নেওয়া   যাক   কিভাবে   সহজে   জানা   যাবে   ২০১৭   সালের   জেএসসি - জেডিসি   পরীক্ষার   ফলাফল … অনলাইনে   ফলাফল   জানা   যাবে   নিচের   লিঙ্ক   থেকেঃ জেএসসি   পরীক্ষার   রেজাল্ট   জানতে   এখানে ক্লিক করুণ তাছাড়া   স্ব - স...

আত্মশুদ্ধি অর্জন ও সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান

বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর রমজান মাসে মুসলমানদের উপরবছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর রমজান মাসে মুসলমানদের উপর এ সিয়াম ফরজ করেছেন। তাই মুসলমানগণ মহাসমারোহে এ মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে রমজান মাসকে গুরত্বসহকারে উদযাপন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন বিশেষ একটা উদ্দেশ্যে মুসলমানদের উপর সিয়াম ফরজ করেছেন। তিনি আল কুরআনে বলেছেন ‘তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিলো যাতে করে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো। আল্লাহ কুরআনে আরো বলেছেন ‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে, তারা যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।’ রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। সিয...

প্রসঙ্গ যখন নতুন কলেজে ভর্তিঃ

মাধ্যমিক পাশ করার পর সবাইই চায় একটি ভালো কলেজে ভর্তি হতে। সেক্ষেত্রে তাদের প্রথম পছন্দ হয় সরকারী কলেজ বা জেলা শহরের শীর্ষস্থানীয় কলেজ। কিন্তু এসব কলেজ গুলোতে যে নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা রয়েছে তা ছাত্র-ছাত্রীর তুলনায় অপ্রতুল। আর কলেজ গুলোতে কোটা প্রথা তো আর আছেই! তাই অনেকেই কলেজ নির্বাচনে হিমশিম খায় এবং একসময় ভূল সিদ্ধান্ত নিতে হয়! আজকাল ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে প্রাইভেট কলেজ। বাসা- বাড়ি বা আবাসিক যেখোনো জায়গায় তারা তাদের ক্যাম্পাস গড়ে নেয়। আর এসএসসি এক্সাম শেষ হবার পরপরই শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের দেয় লোভনীয় প্রস্তাব! বর্তমানে যেমন দিচ্ছে অনলাইনে ভর্তি আবেদন ফ্রী, আর কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয়না এমন ডায়লগ তো আর আছেই! কিন্তু ভর্তি হবার পর পরই শুরু হয় অন্য চিত্র, এসব কলেজকে কসাইকে ও হার মানায়, পড়ালেখার মান তো খারাফই সেই সাথে আছে রমরমা টিউশন বাণিজ্য! একটি শিক্ষার্থী এখানে এসে পড়ে ক্লান্ত হবে কি ক্লান্ত হয়ে যাবে টিউশন ফি দিতে দিতে! শিক্ষার্থী দের উপর অমানবিক নির্যাতন তো আর চলেই একদিন না আসলে এতো জরিমানা আরেকদিন না আসলে আরো তত জরিমানা...

শবে বরাতের রজনীঃ করণীয় ও বর্যণীয়।

শবে বরাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক প্রকার ঝড় বইছে। কেউ পক্ষে কেউ বিপক্ষে। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে ঘায়েল করতে অশ্লীল বাক্য বিনিময় করছেন। যা ঠিক নয়। আসুন এ নিয়ে একটু নিরপেক্ষ বিশ্লষণ করি। শবে বরাত কি: শবে বরাত বলতে আমরা লাইলাতুন নিছফি মিন শাবানকে বুঝি। সালাত, সিয়ামকে আমরা যেমন নামাজ এবং রোযা হিসেবে চিনি ঠিক তেমনি শবে বরাত একটি প্রচলিত পরিভাষা। হাদীসের এসেছে, ﺇﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻴﻄﻠﻊ ﻓﻲ ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ . ﻓﻴﻐﻔﺮ ﻟﺠﻤﻴﻊ ﺧﻠﻘﻪ . ﺇﻻ ﻟﻤﺸﺮﻙ ﺃﻭ ﻣﺸﺎﺣﻦ অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ শাবান মাসের অর্ধ (১৫ শাবান) রাত্রিতে আসমানে আসেন এবং সকলকে তিনি ক্ষমা করে দেন শুধুমাত্র মুশরিক এবং হিংসুক ব্যাক্তি ছাড়া। (ইবনু মাজা) উল্লেখিত হাদীসখানা সহীহ বলে প্রমাণিত। এই হাদীসের আলোকে বুঝা যায় এ রাতটি ফজিলতপূর্ণ। এ কারনে এ রাতে নফল বন্দেগী করলে কোন দোষ নেই। এ রাতে নির্দিষ্ট কোন ইবাদত সাব্যস্ত নেই। ঐ দিন কোন রোযা নেই। নবী স. ১২ মাসই আইয়ামুল বিদ তথা প্রত্যেক আরবী মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ রোযা রাখতেন। শাবান মাস পুরোটাই রোযা রাখার চেষ্টা করতেন। সে হিসেবে কেউ রোযা রাখতে পারেন। লাইলাতুন নিছফি মিন শাবানের ফজিলত সম্পর্কিত আরো...