Skip to main content

যেভাবে সহজেই জানবেন পিইসি, জেএসসি, জেডিসি পরিক্ষার ফলাফল

২০১৭ সালের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসিপরীক্ষার ফল ৩০ ডিসেম্বর বেলা ১২:৩০ টায় প্রকাশ করা হবে।
৩০ ডিসেম্বর সকালে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফল হস্তান্তর করার পর দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কিভাবে সহজে জানা যাবে ২০১৭ সালের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফলাফল
অনলাইনে ফলাফল জানা যাবে নিচের লিঙ্ক থেকেঃ

জেএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট জানতে এখানে ক্লিক করুণ
তাছাড়া স্ব-স্ব স্কুলের EIIN নাম্বার  বোর্ড সিলেক্ট করে একসাথে সবার রেজাল্ট জানা যাবে এখানে ক্লিক করে



তাছাড়া মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে রেজাল্ট জানতে পারবেন এভাবে

জেএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট জানতেঃ

JSC <space> First 3 letters of board <space> Roll Number <space> 2017 Send to 16222

Example: JSC Syl 566876 2017 Send to 16222

জেডিসি পরীক্ষার রেজাল্ট জানতেঃ


JDC <space> MAD <space> Roll Number <space> 2017 
Example: JDC MAD 123456 2017


পিইসি রেজাল্ট জানবেন যেভাবেঃ


অনলাইনে পিইসি রেজাল্ট জানতে ক্লিক করুণ এই লিঙ্কে


মোবাইলে প্রাথমিক  ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৭ এর ফলাফল দেখার নিয়মঃ

প্রাথমিক  শিক্ষা সমাপনীঃ


DPE<space> আপনার উপজেলা/থানার কোড <space>রোল নম্বর<space>পাশের বছরএরপর Send করুন 16222 নম্বরে।
উদাহরণDPE 20608 34589 2017 Send করুন 16222 এ


ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনীঃ

মাদ্রাসা বোর্ডের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপণী পরীক্ষার ফলাফল পেতে শুধু DPE এর স্থলে EBT লিখতে হবে। বাকি নিয়ম অপরিবর্তিত থাকবে।

উদাহরণঃ EBT 20608 34589 2017 Send করুন 16222 নম্বরে।





ফলাফোল সংক্রান্ত যেকোন প্রয়োজনের আমাকে নক করতে পারেন ফেসবুকে

Comments

Popular posts from this blog

অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ও কিছু পরামর্শ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী দের প্রতি রইলো উষ্ণ অভিনন্দন। যারা উত্তীর্ণ হতে পারনি তাদের প্রতি রইলো সমাবেদনা। আর কদিন পরেই তোমরা কলেজের পাট চুকিয়ে ঢুকে পড়বে কলেজ লাইফে। আর কিছুদিন পরেই ২৬মে থেকে অনলাইনে শুরু হবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া। গতবার অনেকেই অনলাইন প্রক্রিয়ায় ভর্তি হতে গিয়ে অনেক ঝামেলায় পড়েছে, কেউতো পছন্দের কলেজে ভর্তিই হতে পারেনি! আর ওয়েবসাইট বিভ্রাট তো আর ছিলই। তাই এবার যারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিরর জন্য অনলাইনে আবেদন করবে তাদের প্রতি আমার ছোট্র কিছু পরামর্শঃ * এবার সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে অবেদন করতে পারবে ফিশ একই থাকছে। * যে কলেজ তুমি ভর্তি হতে বেশি ইচ্ছুক তা পছন্দ তালিকার প্রথমে রাখবে যে কলেজে ভর্তি হতে চাও না তা তে আবেদন করার প্রয়োজন নেই এমনকি পছন্দ ক্রমের শেষেও নয়। * এমন হয় যদি তুমি ভাবো, পছন্দের কলেজে তোমার চান্স পাবার সম্ভাবনা কম আর তুমি অন্য কলেজেও ভর্তি হতে চাওনা সেক্ষেত্রে তোমার করণীয় হবে শুধুমাত্র তোমার পছন্দের কলেজটি সিলেক্ট কর আবেদন কর। হতে পারে তুমি যদি প্রথম মেধা তালিকায় চান্স না পাও তাহলে দ্বিতীয়, তৃতীয় মেধা তালিকা আছে। আর এসব ...

প্রসঙ্গ যখন নতুন কলেজে ভর্তিঃ

মাধ্যমিক পাশ করার পর সবাইই চায় একটি ভালো কলেজে ভর্তি হতে। সেক্ষেত্রে তাদের প্রথম পছন্দ হয় সরকারী কলেজ বা জেলা শহরের শীর্ষস্থানীয় কলেজ। কিন্তু এসব কলেজ গুলোতে যে নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা রয়েছে তা ছাত্র-ছাত্রীর তুলনায় অপ্রতুল। আর কলেজ গুলোতে কোটা প্রথা তো আর আছেই! তাই অনেকেই কলেজ নির্বাচনে হিমশিম খায় এবং একসময় ভূল সিদ্ধান্ত নিতে হয়! আজকাল ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে প্রাইভেট কলেজ। বাসা- বাড়ি বা আবাসিক যেখোনো জায়গায় তারা তাদের ক্যাম্পাস গড়ে নেয়। আর এসএসসি এক্সাম শেষ হবার পরপরই শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের দেয় লোভনীয় প্রস্তাব! বর্তমানে যেমন দিচ্ছে অনলাইনে ভর্তি আবেদন ফ্রী, আর কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয়না এমন ডায়লগ তো আর আছেই! কিন্তু ভর্তি হবার পর পরই শুরু হয় অন্য চিত্র, এসব কলেজকে কসাইকে ও হার মানায়, পড়ালেখার মান তো খারাফই সেই সাথে আছে রমরমা টিউশন বাণিজ্য! একটি শিক্ষার্থী এখানে এসে পড়ে ক্লান্ত হবে কি ক্লান্ত হয়ে যাবে টিউশন ফি দিতে দিতে! শিক্ষার্থী দের উপর অমানবিক নির্যাতন তো আর চলেই একদিন না আসলে এতো জরিমানা আরেকদিন না আসলে আরো তত জরিমানা...

কি এক মিথ্যে নগরীতে বাস করি আমি | তানভীর রানা জুয়েল

কি এক মিথ্যে নগরীতে বাস করি আমি! যেখানে আমার অস্তিত্বের স্থায়িত্ব নেই, আছে শুধু বেঁচে থাকার তীব্র আকাঙ্খা! কি এক মিছে শহরে আমার বসবাস, যেখানে সূর্য্যের আলোয় সুখ না খুজে রাতের নিয়ন আলোতে সুখ খুজি আমি!  কি এক ঠুনকো শহরের সাথে আমার পথচলা... যেখানে সূর্যোদয়ের আলোয় আমি পথচলার ভরসা পাই, আবার থমকে দাড়াই যখন সূর্যাস্তে আলো ফুরায়, নামে তখন অন্ধকার! কি এক পাওয়া- না পাওয়ার বৃত্তে বাস করি আমি, দুপুরের এক চিলতে রোদ আমার মুখে ফোটায় হাসি, আবার আকাশ থেকে ঝড়ে পড়া বৃষ্টি মলিন করে দেয় মন,  গগণে বজ্রপাত হলে এই বুকেও রক্তক্ষরণ হয় তার বুক ফাটে আর্তনাদে এ মনও ব্যথিত হয়! আবার ঘোর কালো আধার কেটে গিয়ে আকাশের বর্ণীল রঙ দোলা দেয় এই মনে! আকাশের বুকে রঙ্গধনুর সাত রঙ দেখে এ মনেও রোমাঞ্চ জাগে! আবার অমাবস্যার চাঁদের মত এ মন রোমাঞ্চ হারায়,একাকীত্ব গ্রাস করে ফেলে! সত্যিই তো কি ভীষণ এক মিথ্যে নগরীতে আমার বসবাস! মিথ্যে হাসির আড়ালে এ শহরে বেঁচে থাকাটাই একটা অভিনয়!