Skip to main content

Posts

Showing posts with the label ধর্ম

আত্মশুদ্ধি অর্জন ও সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান

বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর রমজান মাসে মুসলমানদের উপরবছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর রমজান মাসে মুসলমানদের উপর এ সিয়াম ফরজ করেছেন। তাই মুসলমানগণ মহাসমারোহে এ মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে রমজান মাসকে গুরত্বসহকারে উদযাপন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন বিশেষ একটা উদ্দেশ্যে মুসলমানদের উপর সিয়াম ফরজ করেছেন। তিনি আল কুরআনে বলেছেন ‘তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিলো যাতে করে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো। আল্লাহ কুরআনে আরো বলেছেন ‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে, তারা যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।’ রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। সিয...

শবে বরাতের রজনীঃ করণীয় ও বর্যণীয়।

শবে বরাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক প্রকার ঝড় বইছে। কেউ পক্ষে কেউ বিপক্ষে। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে ঘায়েল করতে অশ্লীল বাক্য বিনিময় করছেন। যা ঠিক নয়। আসুন এ নিয়ে একটু নিরপেক্ষ বিশ্লষণ করি। শবে বরাত কি: শবে বরাত বলতে আমরা লাইলাতুন নিছফি মিন শাবানকে বুঝি। সালাত, সিয়ামকে আমরা যেমন নামাজ এবং রোযা হিসেবে চিনি ঠিক তেমনি শবে বরাত একটি প্রচলিত পরিভাষা। হাদীসের এসেছে, ﺇﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻴﻄﻠﻊ ﻓﻲ ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ . ﻓﻴﻐﻔﺮ ﻟﺠﻤﻴﻊ ﺧﻠﻘﻪ . ﺇﻻ ﻟﻤﺸﺮﻙ ﺃﻭ ﻣﺸﺎﺣﻦ অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ শাবান মাসের অর্ধ (১৫ শাবান) রাত্রিতে আসমানে আসেন এবং সকলকে তিনি ক্ষমা করে দেন শুধুমাত্র মুশরিক এবং হিংসুক ব্যাক্তি ছাড়া। (ইবনু মাজা) উল্লেখিত হাদীসখানা সহীহ বলে প্রমাণিত। এই হাদীসের আলোকে বুঝা যায় এ রাতটি ফজিলতপূর্ণ। এ কারনে এ রাতে নফল বন্দেগী করলে কোন দোষ নেই। এ রাতে নির্দিষ্ট কোন ইবাদত সাব্যস্ত নেই। ঐ দিন কোন রোযা নেই। নবী স. ১২ মাসই আইয়ামুল বিদ তথা প্রত্যেক আরবী মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ রোযা রাখতেন। শাবান মাস পুরোটাই রোযা রাখার চেষ্টা করতেন। সে হিসেবে কেউ রোযা রাখতে পারেন। লাইলাতুন নিছফি মিন শাবানের ফজিলত সম্পর্কিত আরো...

শ্রমিক ঠকানো মহাপাপ

ইসলাম অন্যান্য অধিকারের মতো শ্রমিক অধিকারের ব্যাপারেও অত্যন্ত সোচ্চার। শ্রমিকের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে খুবই কঠোর। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি, ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন, ‘শ্রমিকের ঘাম শোকানোর পূর্বে তার মুজুরি পরিশোধ কর।’ – ইবনে মাজাহ: ৩/৯৭ এ প্রসঙ্গে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণির মানুষের ব্যাপারে আমি নিজে অভিযোগ উত্থাপন করব- এক. যে ব্যক্তি আমার নামে অঙ্গিকার করার পর তা ভঙ্গ করেছে। দুই. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে মূল্য ভোগ করেছে। তিন. যে ব্যক্তি শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর পর, পাওনা পরিশোধ করেনি।’-সুনানে সুগরা লিল বাইহাকি: ২/১৪০ শ্রমিকের অধিকারগুলোর মাঝে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধিকার হলো- তার পারিশ্রমিক। পারিশ্রমিক প্রদানের ক্ষেত্রে মালিক দু’টি আবশ্যকীয় বিষয় নিশ্চিত করবে। এক. সময়মতো পারিশ্রমিক প্রদান করবে। পারিশ্রমিক দিতে বিলম্ব করবে না। যে সব শ্রমিক নিয়মিত কাজ করে এবং তাদের বেতন মাস হিসেবে নির্দিষ্ট করা; মাস শেষ হওয়া মাত্রই তাদের বেতন দিয়ে দিতে হবে। আর যে সব শ্রমিক নিয়মিত নয়, দিন হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত- তাদের দিন শেষ হওয়া ...

ইসলামের দৃষ্টিতে কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস কি করবেন?

ইসলামের দৃষ্টিতে কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস কি করবেন? আদম মুহাম্মদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ) উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একটি থলে পেয়েছিলাম। যার মধ্যে একশ’ দ্বীনার ছিল এবং আমি (এটা নিয়ে) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দাও। আমি তাই করলাম। কিন্তু এটি সনাক্ত করার মত লোক পেলাম না। তখন আবার তাঁর কাছে এলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আরো এক বছর ঘোষণা দাও। আমি তাই করলাম। কিন্তু কাউকে পেলাম না। আমি তৃতীয়বার তাঁর কাছে এলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, থলে ও এর প্রাপ্ত বস্তুর সংখ্যা এবং এর বাঁধন স্মরণ রাখো। যদি এর মালিক আসে তাকে দিয়ে দিবে। নতুবা তুমি তা ভোগ করবে। তারপর আমি তা ভোগ করলাম। ……………………………………. (সহীহ বুখারী)