বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে
রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান
মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে
সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের
মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে
থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর
রমজান মাসে মুসলমানদের উপরবছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে
সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের
মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে
থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর
রমজান মাসে মুসলমানদের উপর এ সিয়াম ফরজ করেছেন। তাই মুসলমানগণ মহাসমারোহে এ
মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে রমজান মাসকে গুরত্বসহকারে উদযাপন করে থাকে।
আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন বিশেষ একটা
উদ্দেশ্যে মুসলমানদের উপর সিয়াম ফরজ
করেছেন। তিনি আল কুরআনে বলেছেন
‘তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে
যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিলো যাতে করে তোমরা মুত্তাকী
হতে পারো। আল্লাহ কুরআনে আরো বলেছেন
‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে,
তারা যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।’
রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস।
সিয়াম পালনের মাধ্যমেই মুসলমানরা
সংযমের শিক্ষা এবং আত্মশুদ্ধি লাভ করবে।
আর এ লক্ষ্যেই এমাসে প্রতিটি সক্ষম
মুসলমানের উপর আল্লাহ সিয়াম রাখা ফরজ
করেছেন। আল্লাহ কেনো সিয়াম ফরজ
করেছেন তা স্পষ্ট করে কুরআনে বলেছেন।
আর তা হচ্ছে তোমরা রমজান মাসে সিয়াম
পালনের মাধ্যমে মুত্তাকী হবে। তাকওয়া
তথা আল্লাহভীতি অর্জন করার মাধ্যমেই
একজন মুসলমান মুত্তাকী হতে পারে। আর
আল্লাহভীতি হচ্ছে প্রতিটি কাজ ও মুহূর্তে
আল্লাহকে ভয় করে জীবন অতিবাহিত ও
সম্পাদন করা। যেকোনো কাজ করতে গিয়ে
আল্লাহর উপস্থিতিকে অনুভব করে তার
নির্দেশিত নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করা।
এভাবে যদি প্রত্যেক মুসলমান সিয়াম
সাধনাকারী ব্যক্তি রমজানে সিয়াম সাধনার
মাধ্যমে তাকওয়া তথা আল্লাহভীতি অর্জন
করে মুত্তাকী হতে পারে। তাহলে প্রতিটি
সমাজ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র তথা বিশ্বে
তার একটা শুভ প্রতিফলন দেখা যেত।
রমজান মাসে সারা বিশ্বে বিশেষ করে
মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি দেশে বেশ
মহাসমারোহে সিয়াম পালন করা হয়ে থাকে।
মুসলমানদের অধিকাংশই সিয়াম পালন করে
থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে মুসলিম
দেশগুলোতে মুসলিম সমাজ ও রাষ্ট্রে তার
ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়না। মুসলমান
রোজা রাখছে আবার অনৈতিক কাজও
সমানতালে করে যাচ্ছে।
অথচ একজন মুসলমান রমজানে সিয়ম পালন করে তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে উচ্চ নৈতিক গুণাবলীর অধিকারী
হওয়ার কথা ছিল। রমজান মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে তাকওয়ার গুণাবলী অর্জন
করে ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে নীতি
নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করবে।
এটাই ছিল সিয়ামের অন্যতম উদ্দেশ্য। কিন্তু আমরা মুসলিম দেশগুলোতে তার প্রভাব লক্ষ্য করছি না।
মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমাদের আবেদন।
আসুন রমজানে সিয়াম পালনের মাধ্যমে
আল্লাহভীতি অর্জন করে মুত্তাকী হই।
ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে আল্লাহকে ভয় করে জীবনকে পরিচালনা
করি। প্রতিটি কাজ ও কথা যেন হয়
আল্লাহকে হাজির নাজির অনুভব করে।
রমজানে রোজা পালন করে আমরা যদি
সকলে আল্লাহভীতি অর্জন করে নিজেদের
আত্মশুদ্ধি করতে পারি তাহলেই রমজান
মাসের সিয়াম সাধনা স্বার্থক হবে। আর
মুসলিম দেশগুলোর প্রতিটি মুসলমান যদি
মুত্তাকী হয়ে যায় তাহলে সমাজ থেকে শুরু
করে সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার সর্বস্তরে
নীতি নৈতিকতার প্রভাব পড়বে। আর মুসলিম
সমাজ ও রাষ্ট্রগুলো হয়ে উঠবে সুখ ও
শান্তিপূর্ণ আবাসস্থল। আর এভাবেই আবার
মুসলিম বিশ্ব হতে পারে সারা বিশ্বের জন্য
শান্তির মডেল। আল্লাহ আমাদেরকে রমজান
মাসে সিয়াম পালন করে মুত্তাকী হওয়ার
তাওফিক দান করুক এ কামনা আমাদের।
আমিন। এ সিয়াম ফরজ
সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের
মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে
থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর
রমজান মাসে মুসলমানদের উপর এ সিয়াম ফরজ করেছেন। তাই মুসলমানগণ মহাসমারোহে এ
মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে রমজান মাসকে গুরত্বসহকারে উদযাপন করে থাকে।
আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন বিশেষ একটা
উদ্দেশ্যে মুসলমানদের উপর সিয়াম ফরজ
করেছেন। তিনি আল কুরআনে বলেছেন
‘তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে
যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিলো যাতে করে তোমরা মুত্তাকী
হতে পারো। আল্লাহ কুরআনে আরো বলেছেন
‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে,
তারা যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।’
রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস।
সিয়াম পালনের মাধ্যমেই মুসলমানরা
সংযমের শিক্ষা এবং আত্মশুদ্ধি লাভ করবে।
আর এ লক্ষ্যেই এমাসে প্রতিটি সক্ষম
মুসলমানের উপর আল্লাহ সিয়াম রাখা ফরজ
করেছেন। আল্লাহ কেনো সিয়াম ফরজ
করেছেন তা স্পষ্ট করে কুরআনে বলেছেন।
আর তা হচ্ছে তোমরা রমজান মাসে সিয়াম
পালনের মাধ্যমে মুত্তাকী হবে। তাকওয়া
তথা আল্লাহভীতি অর্জন করার মাধ্যমেই
একজন মুসলমান মুত্তাকী হতে পারে। আর
আল্লাহভীতি হচ্ছে প্রতিটি কাজ ও মুহূর্তে
আল্লাহকে ভয় করে জীবন অতিবাহিত ও
সম্পাদন করা। যেকোনো কাজ করতে গিয়ে
আল্লাহর উপস্থিতিকে অনুভব করে তার
নির্দেশিত নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করা।
এভাবে যদি প্রত্যেক মুসলমান সিয়াম
সাধনাকারী ব্যক্তি রমজানে সিয়াম সাধনার
মাধ্যমে তাকওয়া তথা আল্লাহভীতি অর্জন
করে মুত্তাকী হতে পারে। তাহলে প্রতিটি
সমাজ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র তথা বিশ্বে
তার একটা শুভ প্রতিফলন দেখা যেত।
রমজান মাসে সারা বিশ্বে বিশেষ করে
মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি দেশে বেশ
মহাসমারোহে সিয়াম পালন করা হয়ে থাকে।
মুসলমানদের অধিকাংশই সিয়াম পালন করে
থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে মুসলিম
দেশগুলোতে মুসলিম সমাজ ও রাষ্ট্রে তার
ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়না। মুসলমান
রোজা রাখছে আবার অনৈতিক কাজও
সমানতালে করে যাচ্ছে।
অথচ একজন মুসলমান রমজানে সিয়ম পালন করে তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে উচ্চ নৈতিক গুণাবলীর অধিকারী
হওয়ার কথা ছিল। রমজান মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে তাকওয়ার গুণাবলী অর্জন
করে ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে নীতি
নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করবে।
এটাই ছিল সিয়ামের অন্যতম উদ্দেশ্য। কিন্তু আমরা মুসলিম দেশগুলোতে তার প্রভাব লক্ষ্য করছি না।
মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমাদের আবেদন।
আসুন রমজানে সিয়াম পালনের মাধ্যমে
আল্লাহভীতি অর্জন করে মুত্তাকী হই।
ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে আল্লাহকে ভয় করে জীবনকে পরিচালনা
করি। প্রতিটি কাজ ও কথা যেন হয়
আল্লাহকে হাজির নাজির অনুভব করে।
রমজানে রোজা পালন করে আমরা যদি
সকলে আল্লাহভীতি অর্জন করে নিজেদের
আত্মশুদ্ধি করতে পারি তাহলেই রমজান
মাসের সিয়াম সাধনা স্বার্থক হবে। আর
মুসলিম দেশগুলোর প্রতিটি মুসলমান যদি
মুত্তাকী হয়ে যায় তাহলে সমাজ থেকে শুরু
করে সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার সর্বস্তরে
নীতি নৈতিকতার প্রভাব পড়বে। আর মুসলিম
সমাজ ও রাষ্ট্রগুলো হয়ে উঠবে সুখ ও
শান্তিপূর্ণ আবাসস্থল। আর এভাবেই আবার
মুসলিম বিশ্ব হতে পারে সারা বিশ্বের জন্য
শান্তির মডেল। আল্লাহ আমাদেরকে রমজান
মাসে সিয়াম পালন করে মুত্তাকী হওয়ার
তাওফিক দান করুক এ কামনা আমাদের।
আমিন। এ সিয়াম ফরজ
করেছেন। তাই মুসলমানগণ মহাসমারোহে এ
মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে রমজান
মাসকে গুরত্বসহকারে উদযাপন করে থাকে।
আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন বিশেষ একটা
উদ্দেশ্যে মুসলমানদের উপর সিয়াম ফরজ
করেছেন। তিনি আল কুরআনে বলেছেন
‘তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে
যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ
করা হয়েছিলো যাতে করে তোমরা মুত্তাকী
হতে পারো। আল্লাহ কুরআনে আরো বলেছেন
‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে,
তারা যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।’
রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস।
সিয়াম পালনের মাধ্যমেই মুসলমানরা
সংযমের শিক্ষা এবং আত্মশুদ্ধি লাভ করবে।
আর এ লক্ষ্যেই এমাসে প্রতিটি সক্ষম
মুসলমানের উপর আল্লাহ সিয়াম রাখা ফরজ
করেছেন। আল্লাহ কেনো সিয়াম ফরজ
করেছেন তা স্পষ্ট করে কুরআনে বলেছেন।
আর তা হচ্ছে তোমরা রমজান মাসে সিয়াম
পালনের মাধ্যমে মুত্তাকী হবে। তাকওয়া
তথা আল্লাহভীতি অর্জন করার মাধ্যমেই
একজন মুসলমান মুত্তাকী হতে পারে। আর
আল্লাহভীতি হচ্ছে প্রতিটি কাজ ও মুহূর্তে
আল্লাহকে ভয় করে জীবন অতিবাহিত ও
সম্পাদন করা। যেকোনো কাজ করতে গিয়ে
আল্লাহর উপস্থিতিকে অনুভব করে তার
নির্দেশিত নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করা।
এভাবে যদি প্রত্যেক মুসলমান সিয়াম
সাধনাকারী ব্যক্তি রমজানে সিয়াম সাধনার
মাধ্যমে তাকওয়া তথা আল্লাহভীতি অর্জন
করে মুত্তাকী হতে পারে। তাহলে প্রতিটি
সমাজ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র তথা বিশ্বে
তার একটা শুভ প্রতিফলন দেখা যেত।
রমজান মাসে সারা বিশ্বে বিশেষ করে
মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি দেশে বেশ
মহাসমারোহে সিয়াম পালন করা হয়ে থাকে।
মুসলমানদের অধিকাংশই সিয়াম পালন করে
থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে মুসলিম
দেশগুলোতে মুসলিম সমাজ ও রাষ্ট্রে তার
ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়না। মুসলমান
রোজা রাখছে আবার অনৈতিক কাজও
সমানতালে করে যাচ্ছে। অথচ একজন মুসলমান
রমজানে সিয়ম পালন করে তাকওয়া অর্জনের
মাধ্যমে উচ্চ নৈতিক গুণাবলীর অধিকারী
হওয়ার কথা ছিল। রমজান মাসে সিয়াম
পালনের মাধ্যমে তাকওয়ার গুণাবলী অর্জন
করে ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে নীতি
নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করবে।
এটাই ছিল সিয়ামের অন্যতম উদ্দেশ্য। কিন্তু
আমরা মুসলিম দেশগুলোতে তার প্রভাব লক্ষ্য
করছি না।
মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমাদের আবেদন
আসুন রমজানে সিয়াম পালনের মাধ্যমে
আল্লাহভীতি অর্জন করে ম্্ুত্তাকী হই।
ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে
আল্লাহকে ভয় করে জীবনকে পরিচালনা
করি। প্রতিটি কাজ ও কথা যেন হয়
আল্লাহকে হাজির নাজির অনুভব করে।
রমজানে রোজা পালন করে আমরা যদি
সকলে আল্লাহভীতি অর্জন করে নিজেদের
আত্মশুদ্ধি করতে পারি তাহলেই রমজান
মাসের সিয়াম সাধনা স্বার্থক হবে। আর
মুসলিম দেশগুলোর প্রতিটি মুসলমান যদি
মুত্তাকী হয়ে যায় তাহলে সমাজ থেকে শুরু
করে সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার সর্বস্তরে
নীতি নৈতিকতার প্রভাব পড়বে। আর মুসলিম
সমাজ ও রাষ্ট্রগুলো হয়ে উঠবে সুখ ও
শান্তিপূর্ণ আবাসস্থল। আর এভাবেই আবার
মুসলিম বিশ্ব হতে পারে সারা বিশ্বের জন্য
শান্তির মডেল। আল্লাহ আমাদেরকে রমজান
মাসে সিয়াম পালন করে মুত্তাকী হওয়ার
তাওফিক দান করুক এ কামনা আমাদের।
আমিন।বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে
রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান
মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে
সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের
মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে
থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর
রমজান মাসে মুসলমানদের উপর এ সিয়াম ফরজ করেছেন। তাই মুসলমানগণ মহাসমারোহে এ
মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে রমজান
মাসকে গুরত্বসহকারে উদযাপন করে থাকে।
আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন বিশেষ একটা
উদ্দেশ্যে মুসলমানদের উপর সিয়াম ফরজ
করেছেন। তিনি আল কুরআনে বলেছেন
‘তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে
যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিলো যাতে করে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো।
আল্লাহ কুরআনে আরো বলেছেন,
‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে,
তারা যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।’
রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস।
সিয়াম পালনের মাধ্যমেই মুসলমানরা
সংযমের শিক্ষা এবং আত্মশুদ্ধি লাভ করবে।
আর এ লক্ষ্যেই এমাসে প্রতিটি সক্ষম
মুসলমানের উপর আল্লাহ সিয়াম রাখা ফরজ
করেছেন। আল্লাহ কেনো সিয়াম ফরজ
করেছেন তা স্পষ্ট করে কুরআনে বলেছেন।
আর তা হচ্ছে তোমরা রমজান মাসে সিয়াম
পালনের মাধ্যমে মুত্তাকী হবে। তাকওয়া
তথা আল্লাহভীতি অর্জন করার মাধ্যমেই
একজন মুসলমান মুত্তাকী হতে পারে। আর
আল্লাহভীতি হচ্ছে প্রতিটি কাজ ও মুহূর্তে
আল্লাহকে ভয় করে জীবন অতিবাহিত ও
সম্পাদন করা। যেকোনো কাজ করতে গিয়ে
আল্লাহর উপস্থিতিকে অনুভব করে তার
নির্দেশিত নীতিমালা অনুযায়ী কাজ করা।
এভাবে যদি প্রত্যেক মুসলমান সিয়াম
সাধনাকারী ব্যক্তি রমজানে সিয়াম সাধনার
মাধ্যমে তাকওয়া তথা আল্লাহভীতি অর্জন
করে মুত্তাকী হতে পারে। তাহলে প্রতিটি
সমাজ থেকে শুরু করে রাষ্ট্র তথা বিশ্বে
তার একটা শুভ প্রতিফলন দেখা যেত।
রমজান মাসে সারা বিশ্বে বিশেষ করে
মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি দেশে বেশ
মহাসমারোহে সিয়াম পালন করা হয়ে থাকে।
মুসলমানদের অধিকাংশই সিয়াম পালন করে
থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে মুসলিম
দেশগুলোতে মুসলিম সমাজ ও রাষ্ট্রে তার
ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়না।
মুসলমান রোজা রাখছে আবার অনৈতিক কাজও সমানতালে করে যাচ্ছে।
অথচ একজন মুসলমান রমজানে সিয়ম পালন করে তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে উচ্চ নৈতিক গুণাবলীর অধিকারী
হওয়ার কথা ছিল। রমজান মাসে সিয়াম
পালনের মাধ্যমে তাকওয়ার গুণাবলী অর্জন
করে ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে নীতি
নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করবে।
এটাই ছিল সিয়ামের অন্যতম উদ্দেশ্য।
কিন্তু আমরা মুসলিম দেশগুলোতে তার প্রভাব লক্ষ্য করছি না।
মুসলিম ভাই-বোনদের কাছে আমাদের আবেদন আসুন রমজানে সিয়াম পালনের মাধ্যমে
আল্লাহভীতি অর্জন করে মুত্তাকী হই।
ব্যক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে
আল্লাহকে ভয় করে জীবনকে পরিচালনা
করি। প্রতিটি কাজ ও কথা যেন হয়
আল্লাহকে হাজির নাজির অনুভব করে।
রমজানে রোজা পালন করে আমরা যদি
সকলে আল্লাহভীতি অর্জন করে নিজেদের
আত্মশুদ্ধি করতে পারি তাহলেই রমজান
মাসের সিয়াম সাধনা স্বার্থক হবে। আর
মুসলিম দেশগুলোর প্রতিটি মুসলমান যদি
মুত্তাকী হয়ে যায় তাহলে সমাজ থেকে শুরু
করে সরকার ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার সর্বস্তরে
নীতি নৈতিকতার প্রভাব পড়বে। আর মুসলিম
সমাজ ও রাষ্ট্রগুলো হয়ে উঠবে সুখ ও
শান্তিপূর্ণ আবাসস্থল। আর এভাবেই আবার
মুসলিম বিশ্ব হতে পারে সারা বিশ্বের জন্য
শান্তির মডেল।
আল্লাহ আমাদেরকে রমজান মাসে সিয়াম পালন করে মুত্তাকী হওয়ার
তাওফিক দান করুক এ কামনা আমাদের।
আমিন।
Comments
Post a Comment