Skip to main content

অনলাইনে হাজার হাজার ডলার ইনকাম ও বাস্তবতা!

ঘরে বসে অনলাইনে হাজার হাজার ডলার ইনকাম!

এরকম লোভনীয় বিজ্ঞাপন দেখে ঘরে ঘরে উইন্ডোজ পিসির সংখ্যা বাড়তে থাকছে সাথে বাড়ছে হতাশাও!
সঠিক গাইডলাইন না পাওয়ার কারণে সফলতার চাইতে হতাশার গল্পই বেশি!
তার পিছনে রয়েছে কিছু আইটি প্রতিষ্টানের ব্যবসায়ী মনোভাব আর লোভনীয় বিজ্ঞাপন!
আইটি সেক্টরটা এমন না যে এলাম দেখলাম জয় করলাম ব্যশ হয়ে গেলো আই এম এ আইটি মাস্টার!
আইটি সেক্টরটা হিউজ একটা ইন্ডার্স্ট্রি যা প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে নিজেকে আপডেট করতে না শিখলে এই সেক্টর আপনার জন্য না!
আইটি সেক্টর টা এমন না যে পরীক্ষায় পাশ করার জন্য আগের রাত আপনাকে একটা সিলেবাস দেওয়া হলো আর আপনি তা পড়ে পরীক্ষায় ভালো ভাবে পাস করে নিলেন!
যারা এভাবে শর্ট সিলেবাস দেয় এটাকে বলে ডিজিটাল তাবিজ অনলাইনে এরকম হাজার হাজার তাবিজ বিক্রেতা রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত  নিউবিদের ধোকা দিয়ে যাচ্ছে!
আইটি সেক্টর হচ্ছে এমন একটা ফিল্ড যেখানে নিজের এক্সপার্টাইজ খাটিয়ে নিজের স্কিল গুলোকে এপ্লাই করতে হয়!
তো আপনি কখন নিজেকে এক্সপার্ট হিসেবে দাবি করতে পারবেন? এটা ডিপেন্ড করবে আপনি কতটুকু নিজেকে এক্সপার্টাইজ করতে পেরেছেন! নামের আগে ফ্রিল্যান্সার নাসিম, আইএমএ মার্কেটার লাগিয়ে দিলেই অনলাইন প্রফেশনাল হওয়া যায়না এরকম হলে রিপন ভিডিও এতদিনে সাকিপ খান হয়ে যেতো 😝
তাই সবার আগে নিজের স্কিল ডেভেলপ করে নিতে হবে তারপর আপনার স্কিল বলবে আপনি কতটুকু এক্সপার্ট আপনার নাম বলবেনা আপনি কতটুকু এক্সপার্ট! তাই নামের আগে টাইটেল লাগিয়ে নিজেকে এক্সপার্ট পরিচয় দেওয়া বাদ দিন কাজে প্রমাণ করুন আপনি কতটুকু এক্সপার্ট!
আজকালতো কেউ কেউ পিকসআর্ট/ফটোল্যাব এপ্স দিয়ে ফটো ডিজাইন করে নিজেকে গ্রাফিক্স ডিজাইনার  আর ফেসবুক মার্কেটিং করে নিজেকে ডিজিটাল মার্কেটার দাবি করে 😄
আসলেই কি তাই? আপনি কখন নিজেকে ডিজিটাল মার্কেটার/ অনলাইন প্রফেশনাল দাবি করতে পারবেন তা একটু জেনে নিয়েন কষ্ট করে!
পরিশেষে বলবো হতাশা বাড়িয়ে লাভ নেই নিজের স্কিল ডেভেলপ করুন নিজের এক্সপার্টাইজ খাটান সফল আপনি হবেন তবে তাড়াহুড়া করে নয়! কারণ সফলতার শর্টকাট কোনো রাস্তা নাই!

© তানভীর রানা জুয়েল

Comments

Popular posts from this blog

অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ও কিছু পরামর্শ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী দের প্রতি রইলো উষ্ণ অভিনন্দন। যারা উত্তীর্ণ হতে পারনি তাদের প্রতি রইলো সমাবেদনা। আর কদিন পরেই তোমরা কলেজের পাট চুকিয়ে ঢুকে পড়বে কলেজ লাইফে। আর কিছুদিন পরেই ২৬মে থেকে অনলাইনে শুরু হবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া। গতবার অনেকেই অনলাইন প্রক্রিয়ায় ভর্তি হতে গিয়ে অনেক ঝামেলায় পড়েছে, কেউতো পছন্দের কলেজে ভর্তিই হতে পারেনি! আর ওয়েবসাইট বিভ্রাট তো আর ছিলই। তাই এবার যারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিরর জন্য অনলাইনে আবেদন করবে তাদের প্রতি আমার ছোট্র কিছু পরামর্শঃ * এবার সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে অবেদন করতে পারবে ফিশ একই থাকছে। * যে কলেজ তুমি ভর্তি হতে বেশি ইচ্ছুক তা পছন্দ তালিকার প্রথমে রাখবে যে কলেজে ভর্তি হতে চাও না তা তে আবেদন করার প্রয়োজন নেই এমনকি পছন্দ ক্রমের শেষেও নয়। * এমন হয় যদি তুমি ভাবো, পছন্দের কলেজে তোমার চান্স পাবার সম্ভাবনা কম আর তুমি অন্য কলেজেও ভর্তি হতে চাওনা সেক্ষেত্রে তোমার করণীয় হবে শুধুমাত্র তোমার পছন্দের কলেজটি সিলেক্ট কর আবেদন কর। হতে পারে তুমি যদি প্রথম মেধা তালিকায় চান্স না পাও তাহলে দ্বিতীয়, তৃতীয় মেধা তালিকা আছে। আর এসব ...

প্রসঙ্গ যখন নতুন কলেজে ভর্তিঃ

মাধ্যমিক পাশ করার পর সবাইই চায় একটি ভালো কলেজে ভর্তি হতে। সেক্ষেত্রে তাদের প্রথম পছন্দ হয় সরকারী কলেজ বা জেলা শহরের শীর্ষস্থানীয় কলেজ। কিন্তু এসব কলেজ গুলোতে যে নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা রয়েছে তা ছাত্র-ছাত্রীর তুলনায় অপ্রতুল। আর কলেজ গুলোতে কোটা প্রথা তো আর আছেই! তাই অনেকেই কলেজ নির্বাচনে হিমশিম খায় এবং একসময় ভূল সিদ্ধান্ত নিতে হয়! আজকাল ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে প্রাইভেট কলেজ। বাসা- বাড়ি বা আবাসিক যেখোনো জায়গায় তারা তাদের ক্যাম্পাস গড়ে নেয়। আর এসএসসি এক্সাম শেষ হবার পরপরই শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের দেয় লোভনীয় প্রস্তাব! বর্তমানে যেমন দিচ্ছে অনলাইনে ভর্তি আবেদন ফ্রী, আর কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয়না এমন ডায়লগ তো আর আছেই! কিন্তু ভর্তি হবার পর পরই শুরু হয় অন্য চিত্র, এসব কলেজকে কসাইকে ও হার মানায়, পড়ালেখার মান তো খারাফই সেই সাথে আছে রমরমা টিউশন বাণিজ্য! একটি শিক্ষার্থী এখানে এসে পড়ে ক্লান্ত হবে কি ক্লান্ত হয়ে যাবে টিউশন ফি দিতে দিতে! শিক্ষার্থী দের উপর অমানবিক নির্যাতন তো আর চলেই একদিন না আসলে এতো জরিমানা আরেকদিন না আসলে আরো তত জরিমানা...

কি এক মিথ্যে নগরীতে বাস করি আমি | তানভীর রানা জুয়েল

কি এক মিথ্যে নগরীতে বাস করি আমি! যেখানে আমার অস্তিত্বের স্থায়িত্ব নেই, আছে শুধু বেঁচে থাকার তীব্র আকাঙ্খা! কি এক মিছে শহরে আমার বসবাস, যেখানে সূর্য্যের আলোয় সুখ না খুজে রাতের নিয়ন আলোতে সুখ খুজি আমি!  কি এক ঠুনকো শহরের সাথে আমার পথচলা... যেখানে সূর্যোদয়ের আলোয় আমি পথচলার ভরসা পাই, আবার থমকে দাড়াই যখন সূর্যাস্তে আলো ফুরায়, নামে তখন অন্ধকার! কি এক পাওয়া- না পাওয়ার বৃত্তে বাস করি আমি, দুপুরের এক চিলতে রোদ আমার মুখে ফোটায় হাসি, আবার আকাশ থেকে ঝড়ে পড়া বৃষ্টি মলিন করে দেয় মন,  গগণে বজ্রপাত হলে এই বুকেও রক্তক্ষরণ হয় তার বুক ফাটে আর্তনাদে এ মনও ব্যথিত হয়! আবার ঘোর কালো আধার কেটে গিয়ে আকাশের বর্ণীল রঙ দোলা দেয় এই মনে! আকাশের বুকে রঙ্গধনুর সাত রঙ দেখে এ মনেও রোমাঞ্চ জাগে! আবার অমাবস্যার চাঁদের মত এ মন রোমাঞ্চ হারায়,একাকীত্ব গ্রাস করে ফেলে! সত্যিই তো কি ভীষণ এক মিথ্যে নগরীতে আমার বসবাস! মিথ্যে হাসির আড়ালে এ শহরে বেঁচে থাকাটাই একটা অভিনয়!