Skip to main content

স্কিল ডেভলপ ভার্সেস ওয়ানটাইম ইনকাম | তানভীর রানা জুয়েল

অনেকেই আছে ক্যারিয়ার বিল্ড আপের ক্ষেত্রে শর্টকার্ট রাস্তা খুজে, পুরো বিষয়টি না জেনে না বুঝে তার ওপর এক্সপার্টাইজ খাটাতে আসে! 


এতে করে হতাশা বাড়ে! হয়তো কেউ কেউ কোন এক সময় সফল হয় কিন্তু তা দীর্ঘস্থায়ী হয়না এই যে আকাশের রঙ পাল্টায় প্রকৃতির নিয়মে মানুষের প্রয়োজনে পৃথিবীরও পরিবর্তন ঘটে! 

দুনিয়া পরিবর্তনশীল এখানে আপনার নিজেকে আপডেট রাখতে শিখতে হবে না হয় লাইফ রেইস থেকে আপনি পিছিয়ে পড়বেন!

অফলাইন কিংবা অনলাইন ক্যারিয়ার বিল্ড আপের ক্ষেত্রে স্কিল ডেভলপের বিকল্প নেই যার স্কিল যত বেশি তার সফলতার সম্ভাবনা বেশি! আর সফলতার শর্টকার্ট কোন রাস্তা নেই জগতে যারা প্রকৃত পক্ষে সফল হয়েছেন তার পেছনে আছে কঠিন অধ্যবসায়ের গল্প!

স্কিল ডেভলপ ছাড়া যে কাজ গুলো করা যায় তা কখনো ইনকামের আন্ডারেই পড়েনা এগুলা সাইড ইনকাম কিংবা ওয়ান টাইম ইনকাম হিসেবে ধরা হয় এটা আজ আছে কাল নাও থাকতে পারে!

এড ভিডিও, এড ক্লিক, সিপিএ এগুলো কোন সময়ই স্কিলের আন্ডারে পড়েনা সুতরাং এটা ওয়ান টাইম ইনকাম সাথে টাইম লস!

আরো একটা ওয়ান টাইম ইনকামের মজার গল্প আছে তা হলো অনলাইন কিংবা অফলাইনে তাবিজ বিক্রি 😅

আপনার বাচণ ভঙ্গী ভালো স্মার্ট ফেস বডি ল্যাংগুয়েজ ভালো তাহলে এই পেশা আপনার জন্য নিজে কিছু পারেন আর না পারেন মুখস্ত কিছু কমন ডায়লগ বললেন আর চুরি করে কিছু রিসোর্স শেয়ার করে দিলেন শুরু হয়ে গেলো রমরমা বাণিজ্য!

একটা সময় কোচিং সেন্টার নিয়ে খুব সমালোচনা হতো এখনো হয় তবে এখন ডিজিটাল দুনিয়ায় ডিজিটাল প্রতারণা হয়!

অনলাইনে লাখ লাখ ডলার নিশ্চিত ইনকাম এরকম লোভনীয় বিজ্ঞাপনের ফাদে পেলে সাধারণ মানুষদের বোকা বানাচ্ছে কিছু নামধারী আইটি প্রতিষ্টান! 

ভালো মন্দ সব জায়গাতেই আছে তার মানে এই না যে সব প্রতিষ্টান খারাপ অবশ্যই আপনাকে ভালোটা খুজে নিতে হবে!

পরিশেষে বলবো নিজের স্কিল ডেভেলপ করুন যে কাজ করছেন কাজটাকে ভালোবেসে করুন সময় দিন শর্টকাট ইনকাম না বলুন ওয়ান টাইম ইনকাম কে না বলুন! সময় দিন বুঝুন আপনার সফলতা কেউ আটকাতে পারবেনা!

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ও কিছু পরামর্শ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী দের প্রতি রইলো উষ্ণ অভিনন্দন। যারা উত্তীর্ণ হতে পারনি তাদের প্রতি রইলো সমাবেদনা। আর কদিন পরেই তোমরা কলেজের পাট চুকিয়ে ঢুকে পড়বে কলেজ লাইফে। আর কিছুদিন পরেই ২৬মে থেকে অনলাইনে শুরু হবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া। গতবার অনেকেই অনলাইন প্রক্রিয়ায় ভর্তি হতে গিয়ে অনেক ঝামেলায় পড়েছে, কেউতো পছন্দের কলেজে ভর্তিই হতে পারেনি! আর ওয়েবসাইট বিভ্রাট তো আর ছিলই। তাই এবার যারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিরর জন্য অনলাইনে আবেদন করবে তাদের প্রতি আমার ছোট্র কিছু পরামর্শঃ * এবার সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে অবেদন করতে পারবে ফিশ একই থাকছে। * যে কলেজ তুমি ভর্তি হতে বেশি ইচ্ছুক তা পছন্দ তালিকার প্রথমে রাখবে যে কলেজে ভর্তি হতে চাও না তা তে আবেদন করার প্রয়োজন নেই এমনকি পছন্দ ক্রমের শেষেও নয়। * এমন হয় যদি তুমি ভাবো, পছন্দের কলেজে তোমার চান্স পাবার সম্ভাবনা কম আর তুমি অন্য কলেজেও ভর্তি হতে চাওনা সেক্ষেত্রে তোমার করণীয় হবে শুধুমাত্র তোমার পছন্দের কলেজটি সিলেক্ট কর আবেদন কর। হতে পারে তুমি যদি প্রথম মেধা তালিকায় চান্স না পাও তাহলে দ্বিতীয়, তৃতীয় মেধা তালিকা আছে। আর এসব ...

প্রসঙ্গ যখন নতুন কলেজে ভর্তিঃ

মাধ্যমিক পাশ করার পর সবাইই চায় একটি ভালো কলেজে ভর্তি হতে। সেক্ষেত্রে তাদের প্রথম পছন্দ হয় সরকারী কলেজ বা জেলা শহরের শীর্ষস্থানীয় কলেজ। কিন্তু এসব কলেজ গুলোতে যে নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা রয়েছে তা ছাত্র-ছাত্রীর তুলনায় অপ্রতুল। আর কলেজ গুলোতে কোটা প্রথা তো আর আছেই! তাই অনেকেই কলেজ নির্বাচনে হিমশিম খায় এবং একসময় ভূল সিদ্ধান্ত নিতে হয়! আজকাল ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে প্রাইভেট কলেজ। বাসা- বাড়ি বা আবাসিক যেখোনো জায়গায় তারা তাদের ক্যাম্পাস গড়ে নেয়। আর এসএসসি এক্সাম শেষ হবার পরপরই শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের দেয় লোভনীয় প্রস্তাব! বর্তমানে যেমন দিচ্ছে অনলাইনে ভর্তি আবেদন ফ্রী, আর কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয়না এমন ডায়লগ তো আর আছেই! কিন্তু ভর্তি হবার পর পরই শুরু হয় অন্য চিত্র, এসব কলেজকে কসাইকে ও হার মানায়, পড়ালেখার মান তো খারাফই সেই সাথে আছে রমরমা টিউশন বাণিজ্য! একটি শিক্ষার্থী এখানে এসে পড়ে ক্লান্ত হবে কি ক্লান্ত হয়ে যাবে টিউশন ফি দিতে দিতে! শিক্ষার্থী দের উপর অমানবিক নির্যাতন তো আর চলেই একদিন না আসলে এতো জরিমানা আরেকদিন না আসলে আরো তত জরিমানা...

কি এক মিথ্যে নগরীতে বাস করি আমি | তানভীর রানা জুয়েল

কি এক মিথ্যে নগরীতে বাস করি আমি! যেখানে আমার অস্তিত্বের স্থায়িত্ব নেই, আছে শুধু বেঁচে থাকার তীব্র আকাঙ্খা! কি এক মিছে শহরে আমার বসবাস, যেখানে সূর্য্যের আলোয় সুখ না খুজে রাতের নিয়ন আলোতে সুখ খুজি আমি!  কি এক ঠুনকো শহরের সাথে আমার পথচলা... যেখানে সূর্যোদয়ের আলোয় আমি পথচলার ভরসা পাই, আবার থমকে দাড়াই যখন সূর্যাস্তে আলো ফুরায়, নামে তখন অন্ধকার! কি এক পাওয়া- না পাওয়ার বৃত্তে বাস করি আমি, দুপুরের এক চিলতে রোদ আমার মুখে ফোটায় হাসি, আবার আকাশ থেকে ঝড়ে পড়া বৃষ্টি মলিন করে দেয় মন,  গগণে বজ্রপাত হলে এই বুকেও রক্তক্ষরণ হয় তার বুক ফাটে আর্তনাদে এ মনও ব্যথিত হয়! আবার ঘোর কালো আধার কেটে গিয়ে আকাশের বর্ণীল রঙ দোলা দেয় এই মনে! আকাশের বুকে রঙ্গধনুর সাত রঙ দেখে এ মনেও রোমাঞ্চ জাগে! আবার অমাবস্যার চাঁদের মত এ মন রোমাঞ্চ হারায়,একাকীত্ব গ্রাস করে ফেলে! সত্যিই তো কি ভীষণ এক মিথ্যে নগরীতে আমার বসবাস! মিথ্যে হাসির আড়ালে এ শহরে বেঁচে থাকাটাই একটা অভিনয়!