Skip to main content

Posts

আত্মশুদ্ধি অর্জন ও সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজান

বছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর রমজান মাসে মুসলমানদের উপরবছর ঘুরে আবার এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। মুসলমানদের জন্য এক মহামূল্যবান মাস হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটা হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস। এ মাসে সারা বিশ্বের মুসলমানরা সিয়াম তথা রোজা পালন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন প্রতি বছর রমজান মাসে মুসলমানদের উপর এ সিয়াম ফরজ করেছেন। তাই মুসলমানগণ মহাসমারোহে এ মাসে সিয়াম পালনের মাধ্যমে রমজান মাসকে গুরত্বসহকারে উদযাপন করে থাকে। আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন বিশেষ একটা উদ্দেশ্যে মুসলমানদের উপর সিয়াম ফরজ করেছেন। তিনি আল কুরআনে বলেছেন ‘তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে যেমন করে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরজ করা হয়েছিলো যাতে করে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো। আল্লাহ কুরআনে আরো বলেছেন ‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে, তারা যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে।’ রমজান হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের মাস। সিয...

প্রসঙ্গ যখন নতুন কলেজে ভর্তিঃ

মাধ্যমিক পাশ করার পর সবাইই চায় একটি ভালো কলেজে ভর্তি হতে। সেক্ষেত্রে তাদের প্রথম পছন্দ হয় সরকারী কলেজ বা জেলা শহরের শীর্ষস্থানীয় কলেজ। কিন্তু এসব কলেজ গুলোতে যে নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা রয়েছে তা ছাত্র-ছাত্রীর তুলনায় অপ্রতুল। আর কলেজ গুলোতে কোটা প্রথা তো আর আছেই! তাই অনেকেই কলেজ নির্বাচনে হিমশিম খায় এবং একসময় ভূল সিদ্ধান্ত নিতে হয়! আজকাল ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে প্রাইভেট কলেজ। বাসা- বাড়ি বা আবাসিক যেখোনো জায়গায় তারা তাদের ক্যাম্পাস গড়ে নেয়। আর এসএসসি এক্সাম শেষ হবার পরপরই শিক্ষার্থী আর অভিভাবকদের দেয় লোভনীয় প্রস্তাব! বর্তমানে যেমন দিচ্ছে অনলাইনে ভর্তি আবেদন ফ্রী, আর কোন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়তে হয়না এমন ডায়লগ তো আর আছেই! কিন্তু ভর্তি হবার পর পরই শুরু হয় অন্য চিত্র, এসব কলেজকে কসাইকে ও হার মানায়, পড়ালেখার মান তো খারাফই সেই সাথে আছে রমরমা টিউশন বাণিজ্য! একটি শিক্ষার্থী এখানে এসে পড়ে ক্লান্ত হবে কি ক্লান্ত হয়ে যাবে টিউশন ফি দিতে দিতে! শিক্ষার্থী দের উপর অমানবিক নির্যাতন তো আর চলেই একদিন না আসলে এতো জরিমানা আরেকদিন না আসলে আরো তত জরিমানা...

শবে বরাতের রজনীঃ করণীয় ও বর্যণীয়।

শবে বরাত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক প্রকার ঝড় বইছে। কেউ পক্ষে কেউ বিপক্ষে। এক পক্ষ আরেক পক্ষকে ঘায়েল করতে অশ্লীল বাক্য বিনিময় করছেন। যা ঠিক নয়। আসুন এ নিয়ে একটু নিরপেক্ষ বিশ্লষণ করি। শবে বরাত কি: শবে বরাত বলতে আমরা লাইলাতুন নিছফি মিন শাবানকে বুঝি। সালাত, সিয়ামকে আমরা যেমন নামাজ এবং রোযা হিসেবে চিনি ঠিক তেমনি শবে বরাত একটি প্রচলিত পরিভাষা। হাদীসের এসেছে, ﺇﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻴﻄﻠﻊ ﻓﻲ ﻟﻴﻠﺔ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ . ﻓﻴﻐﻔﺮ ﻟﺠﻤﻴﻊ ﺧﻠﻘﻪ . ﺇﻻ ﻟﻤﺸﺮﻙ ﺃﻭ ﻣﺸﺎﺣﻦ অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ শাবান মাসের অর্ধ (১৫ শাবান) রাত্রিতে আসমানে আসেন এবং সকলকে তিনি ক্ষমা করে দেন শুধুমাত্র মুশরিক এবং হিংসুক ব্যাক্তি ছাড়া। (ইবনু মাজা) উল্লেখিত হাদীসখানা সহীহ বলে প্রমাণিত। এই হাদীসের আলোকে বুঝা যায় এ রাতটি ফজিলতপূর্ণ। এ কারনে এ রাতে নফল বন্দেগী করলে কোন দোষ নেই। এ রাতে নির্দিষ্ট কোন ইবাদত সাব্যস্ত নেই। ঐ দিন কোন রোযা নেই। নবী স. ১২ মাসই আইয়ামুল বিদ তথা প্রত্যেক আরবী মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ রোযা রাখতেন। শাবান মাস পুরোটাই রোযা রাখার চেষ্টা করতেন। সে হিসেবে কেউ রোযা রাখতে পারেন। লাইলাতুন নিছফি মিন শাবানের ফজিলত সম্পর্কিত আরো...

অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ও কিছু পরামর্শ

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী দের প্রতি রইলো উষ্ণ অভিনন্দন। যারা উত্তীর্ণ হতে পারনি তাদের প্রতি রইলো সমাবেদনা। আর কদিন পরেই তোমরা কলেজের পাট চুকিয়ে ঢুকে পড়বে কলেজ লাইফে। আর কিছুদিন পরেই ২৬মে থেকে অনলাইনে শুরু হবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া। গতবার অনেকেই অনলাইন প্রক্রিয়ায় ভর্তি হতে গিয়ে অনেক ঝামেলায় পড়েছে, কেউতো পছন্দের কলেজে ভর্তিই হতে পারেনি! আর ওয়েবসাইট বিভ্রাট তো আর ছিলই। তাই এবার যারা একাদশ শ্রেণীতে ভর্তিরর জন্য অনলাইনে আবেদন করবে তাদের প্রতি আমার ছোট্র কিছু পরামর্শঃ * এবার সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে অবেদন করতে পারবে ফিশ একই থাকছে। * যে কলেজ তুমি ভর্তি হতে বেশি ইচ্ছুক তা পছন্দ তালিকার প্রথমে রাখবে যে কলেজে ভর্তি হতে চাও না তা তে আবেদন করার প্রয়োজন নেই এমনকি পছন্দ ক্রমের শেষেও নয়। * এমন হয় যদি তুমি ভাবো, পছন্দের কলেজে তোমার চান্স পাবার সম্ভাবনা কম আর তুমি অন্য কলেজেও ভর্তি হতে চাওনা সেক্ষেত্রে তোমার করণীয় হবে শুধুমাত্র তোমার পছন্দের কলেজটি সিলেক্ট কর আবেদন কর। হতে পারে তুমি যদি প্রথম মেধা তালিকায় চান্স না পাও তাহলে দ্বিতীয়, তৃতীয় মেধা তালিকা আছে। আর এসব ...

কোল্ড ড্রিংক খাওয়া কি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ?

গরমে রোদ থেকে ঘুরে এসেই ফ্রিজ খুলে ঢক ঢক করে ঠান্ডা জল কিংবা রাস্তায় দাঁড়িয়েই কোল্ড ড্রিংক, প্রচন্ড গরমের দিনে এটাই আমাদের সবার অভ্যাস। রাস্তায় বেরোলেই দোকান থেকে নানা কোম্পানির কোল্ড ড্রিংক কিনে খেয়ে থাকি। গরমের দিনে রাস্তার ছবিটা এটাই। কিন্তু জানেন কি প্রচন্ড গরমে আদৌ কোল্ড ড্রিংক খাওয়া উচিত্ কিনা! কোল্ড ড্রিংক খাওয়ার কয়েকটি ক্ষতিকর দিক তো আমাদের সকলেরই জানা আছে। কোল্ড ড্রিংক খেলে আমাদের ওজন বেড়ে যেতে পারে। এমনকি দাঁতেরও ক্ষতি করতে পারে কোল্ড ড্রিংক। দাঁতে ক্যাভিটি দেখা দিতে পারে। ফুসফুসের সমস্যাও দেখা দেয় অনেক সময়। কিন্তু এটা কি জানেন, এই যে প্রচন্ড গরমে রং বেরঙের কোল্ড ড্রিংক খাচ্ছেন, এতে আসলে ঠিক কতটা ক্ষতি করছেন শরীরের? ★ কোল্ড ড্রিংক খেলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আসলে সব কোম্পানির কোল্ড ড্রিংকেই প্রচুর পরিমানে চিনি থাকে। আর চিনি শরীরকে ভারী করে দেয়। কোল্ড ড্রিংকের মাধ্যমে এই অতিরিক্ত পরিমানে চিনি খেলে আমাদের ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ★ কোল্ড ড্রিংক যে শুধু শরীরের ওজন বাড়িয়ে দেয় কিংবা দাঁতের ক্ষতি করে তাই নয়, অতিরিক্ত পরিমানে কোল্ড...

শ্রমিক ঠকানো মহাপাপ

ইসলাম অন্যান্য অধিকারের মতো শ্রমিক অধিকারের ব্যাপারেও অত্যন্ত সোচ্চার। শ্রমিকের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে খুবই কঠোর। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি, ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন, ‘শ্রমিকের ঘাম শোকানোর পূর্বে তার মুজুরি পরিশোধ কর।’ – ইবনে মাজাহ: ৩/৯৭ এ প্রসঙ্গে হাদিসে কুদসিতে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, ‘কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণির মানুষের ব্যাপারে আমি নিজে অভিযোগ উত্থাপন করব- এক. যে ব্যক্তি আমার নামে অঙ্গিকার করার পর তা ভঙ্গ করেছে। দুই. যে ব্যক্তি কোনো স্বাধীন মানুষকে বিক্রি করে মূল্য ভোগ করেছে। তিন. যে ব্যক্তি শ্রমিক দিয়ে কাজ করানোর পর, পাওনা পরিশোধ করেনি।’-সুনানে সুগরা লিল বাইহাকি: ২/১৪০ শ্রমিকের অধিকারগুলোর মাঝে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধিকার হলো- তার পারিশ্রমিক। পারিশ্রমিক প্রদানের ক্ষেত্রে মালিক দু’টি আবশ্যকীয় বিষয় নিশ্চিত করবে। এক. সময়মতো পারিশ্রমিক প্রদান করবে। পারিশ্রমিক দিতে বিলম্ব করবে না। যে সব শ্রমিক নিয়মিত কাজ করে এবং তাদের বেতন মাস হিসেবে নির্দিষ্ট করা; মাস শেষ হওয়া মাত্রই তাদের বেতন দিয়ে দিতে হবে। আর যে সব শ্রমিক নিয়মিত নয়, দিন হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত- তাদের দিন শেষ হওয়া ...

ইসলামের দৃষ্টিতে কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস কি করবেন?

ইসলামের দৃষ্টিতে কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস কি করবেন? আদম মুহাম্মদ ইবনু বাশ্শার (রহঃ) উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি একটি থলে পেয়েছিলাম। যার মধ্যে একশ’ দ্বীনার ছিল এবং আমি (এটা নিয়ে) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দাও। আমি তাই করলাম। কিন্তু এটি সনাক্ত করার মত লোক পেলাম না। তখন আবার তাঁর কাছে এলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আরো এক বছর ঘোষণা দাও। আমি তাই করলাম। কিন্তু কাউকে পেলাম না। আমি তৃতীয়বার তাঁর কাছে এলাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, থলে ও এর প্রাপ্ত বস্তুর সংখ্যা এবং এর বাঁধন স্মরণ রাখো। যদি এর মালিক আসে তাকে দিয়ে দিবে। নতুবা তুমি তা ভোগ করবে। তারপর আমি তা ভোগ করলাম। ……………………………………. (সহীহ বুখারী)